সোমবার   ০৪ মার্চ ২০২৪ || ২০ ফাল্গুন ১৪৩০

প্রকাশিত: ১৩:১৩, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

আপডেট: ১৩:১৩, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

২০০০ বছরের পুরোনো ভাস্কর্য লিবিয়াকে ফিরিয়ে দিল সুইজারল্যান্ড

২০০০ বছরের পুরোনো ভাস্কর্য লিবিয়াকে ফিরিয়ে দিল সুইজারল্যান্ড
সংগৃহীত

প্রাগৈতিহাসিক যুগের একটি মার্বেল ভাস্কর্য লিবিয়াকে ফিরিয়ে দিয়েছে সুইজারল্যান্ড। অতিপ্রাচীন এই ভাস্কর্যটি ২ হাজারেরও বেশি বছরের পুরোনো। এটি বর্তমান লিবিয়ার একটি প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট থেকে আবিষ্কার করা হয়েছিল।

এরই জেরে ভাস্কর্যটি এবার উত্তর আফ্রিকার এই দেশটিকেই ফিরিয়ে দিলো সুইজারল্যান্ড। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, সুইজারল্যান্ডের সরকার প্রাগৈতিহাসিক আমলের একটি লিবিয়ান মার্বেল ভাস্কর্য লিবিয়ার কাছে হস্তান্তর করেছে। এটি ২ হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো বলে বিশ্বাস করা হয়। সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে অবস্থিত লিবিয়ার দূতাবাসে ভাস্কর্যটি হস্তান্তর করা হয়।

সুইজারল্যান্ডের ফেডারেল অফিস অব কালচারাল অ্যাফেয়ার্স এক বিবৃতিতে বলেছে, একজন তরুণীর মাথার এই ভাস্কর্যটি ১৯ সেমি (৭ ইঞ্চি) উঁচু এবং ‘খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী থেকে খ্রিস্টাব্দের প্রথম শতাব্দীর সময়কালের’।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এটি সম্ভবত বর্তমান লিবিয়ার সাইরেনাইকা অঞ্চলে অবস্থিত প্রাচীন শহর সাইরেনের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান থেকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল এবং এটি উত্তর আফ্রিকায় গ্রীক সভ্যতা সম্প্রসারণের বাস্তব প্রমাণ।’

বিবিসি বলছে, ভাস্কর্যটি ২০১৩ সালে জেনেভাতে একটি শুল্ক গুদামে পাওয়া যায় এবং ২০১৬ সালে সুইস কর্তৃপক্ষ আইনত এটি বাজেয়াপ্ত করে।

সুইজারল্যান্ডের ফেডারেল অফিস অব কালচারাল অ্যাফেয়ার্স বলছে, ‘এটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, অবৈধ খননের অংশ হিসাবে এটি দখলে নেওয়া হয়, কিন্তু কীভাবে ভাস্কর্যটি সুইজারল্যান্ডে এসে পৌঁছেছে তা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি’।

লিবিয়া এবং সুইজারল্যান্ড উভয়ই ১৯৭০ সালের ইউনেস্কো চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ। এর মাধ্যমে সাংস্কৃতিক সম্পত্তির অবৈধ বাণিজ্য প্রতিরোধ করতে চায় দেশ দুটি।

সুইজারল্যান্ডের এই দপ্তরটি লিবিয়ার প্রাচীন নিদর্শনগুলোর ব্যাপক লুটপাট এবং ধ্বংসের বিষয়ে জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থার করা পূর্ববর্তী সতর্কতার প্রতিধ্বনিও করেছে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

সর্বশেষ

জনপ্রিয়