শনিবার   ১৩ এপ্রিল ২০২৪ || ২৯ চৈত্র ১৪৩০

প্রকাশিত: ১৭:৩২, ২ মার্চ ২০২৪

পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় দাওধারা গারো পাহাড়

পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় দাওধারা গারো পাহাড়
সংগৃহীত

প্রাকৃতিক নৈস্বর্গিক শোভা মন্ডিত শেরপুরের সীমান্তবর্তী নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়ের পর্যটনের অপার সম্ভাবনার নতুন দ্বার খুলে দিতে পারে দাওধারা গারো পাহাড় পর্যটনকেন্দ্রটি। জেলায় যে দুটি পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে সেগুলোর চেয়ে এই স্থানের উঁচু নিচু লাল পাহাড়ের নয়ানাভিরাম মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করে ভ্রমণপিয়াসীরা উচ্ছ্বসিত ও আনন্দিত হবেন বলে মনে করেন স্থানীয়রা। তাই এর স্থগিত হওয়া নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু করার জোর দাবি জানান তারা। 

জানা গেছে, সরকারি নির্দেশনায় দেশের পর্যটন খাতকে সমৃদ্ধ ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে নতুন বিনোদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন শেরপুর জেলা প্রশাসন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খৃষ্টফার হিমেল রিছিল উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের দাওধারা কাটাবাড়ি পাহাড়ি এলাকায় প্রায় ২২০.৭৭ একর পাহাড়ি বনভূমি নিয়ে নতুন একটি পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। 

 দাওধারা গারো পাহাড় 

দাওধারা গারো পাহাড় 

পরিকল্পনা অনুযায়ী স্থান নির্বাচন করে গত বছরের ৫ এপ্রিল তৎকালীন জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার ওই স্থানে নির্মাণকাজের উদ্বোধন উপলক্ষে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। একইসঙ্গে ওই পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়ার রাস্তায় মাটি কাটার কাজ ও একটি গেট নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খৃষ্টফার হিমেল রিছিল দুজনেই বদলী হয়ে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে থমকে যায় ওই পর্যটন কেন্দ্রের চলমান কাজ। 

এলাকাবাসী জানান, এখানে নতুন একটি পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা হলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভ্রমণপিপাসুরা ছুটে আসবেন। এতে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব পাবে অন্যদিকে স্থানীয়দের জন্য সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান। তাই ওই এলাকায় পরিকল্পিত পর্যটন কেন্দ্রটির দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু করার দাবি জানান তারা। 

ওই এলাকার বাসিন্দা হারেজ আলী বলেন, আমাদের পূর্বদিকে আছে নাকুগাঁও স্থলবন্দর ও পশ্চিমে আছে মধুটিলা ইকোপার্ক। আমরা এর মাঝখানের এলাকার বাসিন্দা। এখানের মানুষের নেই কোনো কর্মসংস্থান। তাই এখানে যদি নতুন পর্যটন কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয় তাহলে এখানের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

আরেক বাসিন্দা রাশিদা বেগম বলেন, আমরা গরিব মানুষ আমাদের চলার কোনো পথ নেই। আমরা এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বন থেকে লাকড়ি কুড়িয়ে বিক্রি করে কষ্ট করে সংসার চালাই। দাওধারা গারো পাহাড়ে যদি পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা হয় তাহলে আমরা অন্তত পানি বিক্রি করে হলেও আমাদের সংসার চালাতে পারব। 

 

দাওধারা গারো পাহাড়

দাওধারা গারো পাহাড়

স্থানীয় বাসিন্দা হোসেন আলী, নুর মোহাম্মদ, বিশ্বকোচ ও নুরুল হক বলেন, দাওধারা গারো পাহাড় পর্যটন কেন্দ্রটির স্থগিত করা কাজ দ্রুত শুরু করা হোক।

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইলিশায় রিছিল বলেন, দাওধারা গারো পাহাড়ে ২২০.৭৭ একর খাস জমি উদ্ধার করে নতুন পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের কাজ শুরু করা হয়েছে। এরমধ্যে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে। পরিবেশের সঙ্গে মিল রেখে বাকি কাজ করার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে। 

সূত্র: ডেইলি-বাংলাদেশ 

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

সর্বশেষ

শিরোনাম

আয়ারল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দনসুইজারল্যান্ডে স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় কিঈদের দিন ৩ হাসপাতাল পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রীরঈদের জামাতে নামাজরত অবস্থায় ভাইয়ের মৃত্যু, খবর শুনে মারা গেলেন বোনওসদরঘাটে শেষ বিল্লালের পুরো পরিবারবৈসাবি উৎসবের আমেজে ভাসছে ৩ পার্বত্য জেলাব্যাংক ডাকাতি থেকে বাঁচতে জয়পুরহাটে কড়া নিরাপত্তাএলাকায় মসজিদ ছিল না, জমি কিনে মসজিদ বানালেন সবজি বিক্রেতাবায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢলআজ ঈদ, মুসলমানদের ঘরে আনন্দের বন্যাভারতে পাচারের সময় কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধারজাহাজে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন জিম্মি নাবিকরা