• বৃহস্পতিবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৪ ১৪২৯

  • || ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

জাগ্রত জয়পুরহাট

পটুয়াখালীতে বারোমাসি তরমুজ চাষে সফল তিন বন্ধু!

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০২২  

পটুয়াখালীতে তিন বন্ধু বারোমাসি তিন জাতের তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। বর্ষার মৌসুমে মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তরমুজের বাম্পার ফলনে তারা খুব খুশি। বাঁশের মাচায় ঝুলছে ছোট-বড় অসংখ্য তরমুজ।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠী গ্রামের তিন বন্ধু নাইম, আল-আমিন, সবুজ। ইউটিউব দেখে তরমুজ চাষ করা শিখেন। তারপর চাষে আগ্রহী হয়ে ৩ জন মিলে সিদ্ধান্ত নেন। উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় ৭০ হাজার টাকা খরচ করে মাত্র ২৫ শতাংশ জমিতে অফসিজন বাংলালিংক, পাকিজা এবং ফনিক্স জাতের তরমুজ চাষ শুরু করেন। মাত্র ২ মাস ১৫ দিনে তরমুজ বিক্রয় উপযোগী হয়ে যায়। এখন তরমুজ বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি শুরু করেন তারা। এক একটি তরমুজ ৪-৮ কেজি ওজনের হয়েছে। প্রতিকেজি তরমুজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাইকাররা জমি থেকেই তরমুজ নিয়ে যাচ্ছে। পরে ট্রাকে করে চলে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে। প্রথমবারের মতো বৈরী আবহাওয়ার এ তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন তারা। বারোমাসি এই তরমুজ চাষে প্রায় ৩ লাখ টাকা লাভ হবে বলে জানান তারা।

তিন বন্ধু নাইম, আল-আমিন, সবুজ বলেন, ইউটিউবে বিভিন্ন জায়গায় বর্ষাকালীন তরমুজ চাষ দেখে আমরা এটি চাষে আগ্রহী হই এবং চাষ করার সিদ্ধান্ত নেই। ৬ মাসের মধ্যে আমাদের ভালোই ফলন হয়েছে। আশা করছি সকল খরচ বাদ দিয়ে তার দ্বিগুণ লাভ হবে।

তাদের সাফল্য দেখে আশেপাশের অনেকেই এ বারোমাসি তরমুজ চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এমনই একজন বলেন, আগামীতে আমার জমিতেও এ তরমুজ চাষ করবো। পটুয়াখালীর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার বলেন, তাদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে।

জাগ্রত জয়পুরহাট
জাগ্রত জয়পুরহাট