• বুধবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৩ ১৪২৯

  • || ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

জাগ্রত জয়পুরহাট

তরমুজ চাষে সফল খলিলুর, ৪ লক্ষাধিক টাকা আয়ের আশা!

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২  

সোনালি বর্ণের বিদেশি গোল্ডেন ক্রাউন, ব্লাকবেরি ও বাংলালিংক তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার চাষি খলিলুর রহমান। গ্রীষ্মকালীন সবজির পাশাপাশি স্বল্প পরিমাণ জমিতে এ বছর তিন জাতের তরমুজ চাষ করছেন তিনি। তার এ সফল দেখে এলাকার অনেকে তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

যশোর কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোল্ডেন ক্রাউন, ব্লাকবেরি ও বাংলালিংক জাতের তরমুজ অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। তরমুজ মাটিতে হলেও গোল্ডেন ক্রাউন, ব্লাকবেরি ও বাংলালিংক জাতের তরমুজ মাচায় বড় হয়। বীজ বপণের ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ফুল আসে এবং ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মাথায় ফল কাটা শুরু হয়।

খলিলুর রহমান বলেন, আমি সবসময় বাজারে চাহিদা সম্পন্ন নতুন জাতের ফসল ও সবজি চাষ করি। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বরাবরই সহযোগিতা পাচ্ছি। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে শীতকালীন ফসল শেষ হওয়ার পর পরীক্ষামূলকভাবে ৫ বিঘা জমিতে তরমুজের বীজ রোপণ করি। বীজ রোপণের পর ৬টি গাছ বের হয়। পরে লম্বা বাঁশের চটা দিয়ে মাচা দেয়া হয়। ২৫ থেকে ৩০ দিন পর ফুল আসে এবং দেড় থেকে ২ মাসের মধ্যে ফল আসতে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, বাজারে এই তরমুজের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। দামটাও ভালো পাওয়া যায়। বাজারে বর্তমানে এই তরমুজ ৬৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ বছর তরমুজ চাষে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আশা করছি ৪ লাখ টাকার মতো লাভ হবে।

মণিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল হাসান বলেন, নতুন জাতের এই তরমুজ চাষে চাষি খলিলুর রহমানকে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছে কৃষি বিভাগ।

জাগ্রত জয়পুরহাট
জাগ্রত জয়পুরহাট