• মঙ্গলবার   ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৮ ১৪২৯

  • || ০৯ রজব ১৪৪৪

জাগ্রত জয়পুরহাট

রঙিন ফুলকপি চাষে সফল দিপা বালা!

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত: ২২ জানুয়ারি ২০২৩  

রঙিন ফুলকপির জনপ্রিয়তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। আর চাষে পিছিয়ে নেই কৃষকরাও। মাগুড়ায় রঙিন ফুলকপি চাষ করে সফল হয়েছেন সুশান বালা ও দিবা বালা। তাদের উৎপাদিত হচ্ছে হলুদ ও বেগুনি রঙের ফুলকপি। দেখতে খুব সুন্দর ও খেতে সুস্বাদু। রঙিন ফুলকপি চাষে তাদেরকে সফল হতে দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন।

জানা যায়, কৃষক-কৃষানী সুশান বালা ও দিপা বালা মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলায় হাজরাতলা এলাকায় বাসিন্দা। কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রথমবারের মতো রঙিন ফুলকপি চাষ করে সফল হয়েছেন। তাদের জমিতে হলুদ ও বেগুনি রঙের ফুলকপি চাষ করছেন। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফুলকপি দেখতে মানুষ ভীড় করছেন। তারা রঙিন ফুলকপি চাষ করে এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছেন। বাজারে রঙিন ফুলকপির বেশ চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি বাজারদরও খুব ভালো। তারা আশা করছেন দ্বিগুণ লাভবান হতে পারবেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, তারা ৪০ শতাংশ জায়গায় ২০ হাজার টাকা খরচে রঙিন ফুলকপি উৎপাদন করছেন। কৃষি অফিসের সহযোগিতায় সার, বীজ সংগ্রহ করে জমিতে চাষ করে তারা সফল হয়েছেন। এই চাহিদা পূর্ন ও পুষ্টিগুণে ভরা ফুলকপি আগামীতে আরো বেশি জায়গায় চাষ করবেন বলে জানান তারা।

রঙিন ফুলকপি চাষি সুশেন বালা বলেন, কৃষি অফিস থেকে সার ও বীজ সংগ্রহ করে জমিতে চাষ করি। অন্যান্য বছর সাদা ফুলকপি চাষ করেছি। এবছর কৃষি অফিসের পরামর্শে ৪০ শতাংশ জায়গায় রঙিন ফুলকপির চাষ করেছি। বাজারে সাদা ফুলকপির তুলনায় রঙিন ফুলকপির দাম বেশি। বাজারে সাদা ফুলকপি যদি ১৫ টাকা বিক্রি হয় তাহলে রঙিন ফুলকপি ৫০-৬০ টাকা দামে বিক্রি হয়।

সবজি চাষি দিপা বালা বলেন, আমি এবছর ২০ শতাংশ জমিতে বেগুনি ও হলুদ রঙের ফুলকপি চাষ করেছি। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সব ধরনের সহযোগিতা পেয়েছি। জমিতে ফুলকপির ভালো ফলন হয়েছেন। ফুলকপি গুলো দেখতে খুব সুন্দর ও খেতে সুস্বাদু। বাজারে সাদা ফুলকপির থেকে রঙিন ফুলকপির দাম ও চাহিদা দুটোই বেশি। আমাদের রঙিন ফুলকপি চাষ করতে দেখে অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, রঙিন ফুলকপির উৎপাদান ভাল হয়েছে বাজারে দামও ভালো। তবে রঙিন হওয়ায় বাজারে এই ফুলকপির দাম দ্বিগুন। সুশেন বালার জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষ হয়েছে দেখতে খুবই সুন্দর। আগামীতে এই রঙিন ফুলকপি চাষ করবো।

মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক সুফি মো. রফিকুজ্জামান বলেন, রঙিন ফুলকপির মধ্যে রয়েছে বিটা কেরোটিন এবং এন্টি অক্সডিন্টে থাকার কারনে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। মানব শরীরের ক্যান্সার ও হৃদ রোগের ঝুকিগুলো অনেকাংশে কমায়। শ্রীপুর উপজেলার হাজরাতলা গ্রামে বেগুনি ও হলুদ ফুলকপির চাষ হচ্ছে। ফলনও ভালো হয়েছে। প্রতিটা ফুল প্রায় এক থেকে দেড় কেজি ওজন হয়েছে। বাজারে সাদা ফুলকপি ১৫ টাকায় বিক্রি হয় আর রঙিন ফুলকপি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। আশা করছি কৃষকরা লাভবান হবেন।

জাগ্রত জয়পুরহাট
জাগ্রত জয়পুরহাট