• রোববার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ১১ ১৪২৮

  • || ১৮ সফর ১৪৪৩

জাগ্রত জয়পুরহাট

আতা ফলের পুষ্টিমান ও উপকারিতা

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০২১  

আতা ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটমিন সি, যা একটি উন্নতমানের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ফ্রি রেডিক্যাল নিয়ন্ত্রণে রক্ষা করে। এছাড়া ত্বকে বার্ধ্ক্য বিলম্বিত করে। এতে উপস্থিত ভিটামিন এ চোখ ,চুল ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

আতা ফলের ম্যাগানেসিয়াম মাংসপেশির জড়তা দূর করে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এর পটাশিয়াম ও ভিটামিন বি-৬ রক্তের উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রন করে এবং হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

এর খাদ্যআঁশ হজমশক্তি বৃদ্ধি করে ও পেটের সমস্যা দূর করে। আতা ফলের খাদ্য উপাদান এনিমিয়া প্রতিরোধ করে। আতা ফলের শাসের রস রক্তের শাক্তি বৃদ্ধি কারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

আমাশয়ে : আতা গাছের মূলের ছালের রস ২০/২৫ ফোঁট ৭/৮ চা চামচ দুধ সহ খেতে হবে ।তবে  ছগলের দুধ হলে ভাল হয়।

রক্তে বল কমে গেলে : যদি শ্লেবিকারের  কোন ব্যধি না থাকলে পাকা আতা ফলের শাসের রস ২/৩ চা চামচ করে সকালে ও বিকালে ২ বার খেলে রক্তের নিস্তেজ ভাবটা সেরে যায়।

অপুষ্টিজনিত কৃশতায় : শিশু ,যুবক যুবতী বৃদ্ধ যে কোন বয়সেরই হোক এ ক্ষেত্রে পাকা আতাফলের রস ২/৩ চা চামচ করে একটু দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে ধীরে ধীরে পুষ্টি সঞ্চার হয় এবং কৃশতাও দূর হয়।

রক্তপিত্তজনিত দাহরোগে : অল্প রক্তচাপের কারণে মাঝে মাঝে বমির সংগে রক্ত বের হয় আবার বন্ধ হয়ে স্বাভাবিক মনে হয় ,আবার কারো আগ্নির বলও থাকেনা। এ ক্ষেত্রে পাকা আতার রস ২/৩ করে খাওয়ালে সেরে যাবে।

ক্ষতের পোকায় : পিত্তশ্লেষ্মাপ্রধান শরীরে ক্ষত হলে তাড়াতাড়ি শুকাতে চায়না। দীর্ঘ্ দিন  থাকলে পোকা জন্ম নেয়। সেক্ষেত্রে কাচা আতাফল বজিসমেত শুকিয়ে মিহি করে ঐ ক্ষতে ছড়িয়ে দিলে ক্ষতের কীট মরে যাবে এবং ঘাও শুকিয়ে যাবে।

জাগ্রত জয়পুরহাট
জাগ্রত জয়পুরহাট