মঙ্গলবার   ০৫ মার্চ ২০২৪ || ২১ ফাল্গুন ১৪৩০

প্রকাশিত: ১১:৪৭, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩

থ্যালাসেমিয়া কি আসলে ছোঁয়াচে?

থ্যালাসেমিয়া কি আসলে ছোঁয়াচে?
সংগৃহীত

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তস্বল্পতাজনিত রোগ। থ্যালাসেমিয়া কি আসলে ছোঁয়াচে? এ রোগ হলে কি বাঁচা সম্ভব? এ রোগে কি হয়? এ রোগ হলে মনে অনেক ধরণের প্রশ্ন আসে। অনেকে আবার ভয়ও পেয়ে থাকেন। তাই এই বিষয়ে সচেতনতা প্রয়োজন।

থ্যালাসেমিয়া এক প্রকার রক্তের রোগ। জিনগত এ রোগ বংশ পরম্পরায় শিশুর দেহে বাসা বাঁধে। এতে রোগীর রক্তে লোহিত কণিকা ও হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায়। ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। তবে এই রোগ ছোঁয়াচে নয়। এ রোগ হলো বংশগত রোগ, যা মা–বাবা থেকে জিনের মাধ্যমে সন্তানের মধ্যে আসে। বাবা ও মা দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়ার রোগী হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

থ্যালাসেমিয়া হল একটি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রক্তজনিত ব্যাধি, যা রোগীর দেহে হিমোগ্লোবিনের অপর্যাপ্ত অথবা অস্বাভাবিক গঠনের মাধ্যমে তৈরি হয়। লোহিত রক্ত কণিকার মধ্যে স্থিত হিমোগ্লোবিন শরীরের মধ্য দিয়ে অক্সিজেন বহন করে। থ্যালাসেমিয়ার ফলে বিপুলসংখ্যক লোহিত রক্তকণিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি রোগীর মধ্যে রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি করে।

আমাদের দেহে কিছু কোষ হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। থ্যালাসেমিয়া ডিএনএর কোষগুলোর মিউটেশনের কারণে ঘটে,  যা মা–বাবার কাছ থেকে সন্তানদের মধ্যে যায়। এবং জন্মের প্রথম দুই বছরের মধ্যে এই রোগের প্রকাশ ঘটে। 
থ্যালাসেমিয়া হয় দু রকমের। ১. আলফা থ্যালাসেমিয়া ও ২. বিটা থ্যালাসেমিয়া। আলফা থ্যালাসেমিয়া মানে হলো, শরীরে আলফা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি রয়েছে। বিটা থ্যালাসেমিয়া তখন ঘটে যখন শরীরে বিটা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি থাকে। 
বিটা থ্যালাসেমিয়ার চেয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়া কম তীব্র। তবে এর ব্যাপকতা বিটা থ্যালাসেমিয়ার চেয়ে বেশি। মোটা দাগে বলতে হয় এ রোগ জিনগত।

সূত্র: Independent Tv

সর্বশেষ

জনপ্রিয়