• মঙ্গলবার   ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৯ রজব ১৪৪৪

জাগ্রত জয়পুরহাট

শীতকালে শিশুর শুষ্ক ত্বকের যত্ন

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০২২  

শীত পড়ল মানেই অনেকেই গোসলখানায় শেকল তুলে দিলৈন। বড়দের জন্য শীতকাল যেমন তেমন, কিন্তু শিশুদের তো ইচ্ছে থাকলেও সে উপায় নেই। বার বার খাওয়া এবং জামা ভিজিয়ে ফেলার পর শিশুদের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এই শীতেও জোর করে গোসল করাতে বাধ্য হন মায়েরা। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন- প্রতিদিন স্নান না করিয়েও বাচ্চা পরিচ্ছন্ন রাখা যায়। তার জন্য জানা দরকার কয়েকটি জরুরি কথা।

১. কুসুম গরম পানিতে গা মোছা : শীতকালে সদ্যোজাতদের যে প্রতিদিন গোসল করাতেই হবে- এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে গেলে যেটুকু প্রয়োজন সেটুকুই যথেষ্ট। শিশুদের এমনিতেই বেশি ঘাম হয় না তাই খুব বেশি পানি ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। প্রতিবার খাওয়ানোর পর গরম পানিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে মুছে নেওয়াই বাঞ্ছনীয়। গোসল যদি করাতেই হয়, তবে একদিন পর পর হালকা গরম পানি দিয়ে করিয়ে নিন।

২. মালিশ : শিশুর ত্বক ভালো রাখতে প্রতিদিন মালিশ করা জরুরি। হালকা গরম তেল দিয়ে বাচ্চাদের প্রতিদিন মালিশ করলে ত্বকের আর্দ্রতা যেমন বজায় থাকে, তেমন দেহে রক্তসঞ্চালনও ভালো হয়। ঠাণ্ডা লাগার ধাত থাকলে তা-ও সারিয়ে তোলে।

৩. ভিজা জামা : শীতকালে বেশিক্ষণ ভিজে জামা বা ডায়াপার পরে থাকলে ঠাণ্ডা লাগার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই কিছুক্ষণ পর পরই খেয়াল করতে হয় পোশাক ভিজে গেছে কি না। এ সময় শিশুদের গরম পোশাকও পরাতে হয়। তাই ওপর থেকে চট করে বোঝা যায় না পোশাক ভিজেছে কি-না। ভিজা জামা বেশিক্ষণ পরে থাকলে ঠাণ্ডা লাগাও এড়ানো যায় না।

৪. ত্বকের আর্দ্রতা : ভিজা জামা বা ডায়াপার পরে ত্বকে র‌্যাশ বেরোতে পারে। ত্বক শুষ্কও হয়ে যেতে পারে। তাই সকালে যেমন তেল মালিশ করবেন, তেমন ভাবেই দুপুর বা বিকেলের দিকে সারা দেহে মাখান ময়েশ্চারাইজার। ন্যাপি পরে ত্বকে র‌্যাশ বেরোলে তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আলাদা ক্রিমও মাখাতে পারেন।

৫. ডায়াপার : বেশিক্ষণ ন্যাপি পরে থাকলে বাচ্চাদের ত্বকে সমস্যা হতে পারে ভেবে অনেকেই ডায়াপার পরাতে চান না। আবার কেউ বার বার জামা ভিজিয়ে ফেলার হাত থেকে মুক্তি পেতে সারাক্ষণ ডায়াপার পরিয়ে রাখতেই পছন্দ করেন। দু'ক্ষেত্রেই সুবিধা যেমন আছে, তেমন সমস্যাও আছে। তাই কত ক্ষণ ডায়াপার পরিয়ে রাখবেন তা বুঝতে হবে শিশুটির মাকেই।

জাগ্রত জয়পুরহাট
জাগ্রত জয়পুরহাট