বৃহস্পতিবার   ২৫ এপ্রিল ২০২৪ || ১১ বৈশাখ ১৪৩১

প্রকাশিত: ০৫:১৪, ১৫ মার্চ ২০২৩

ক্ষেতলালে সজিনার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

ক্ষেতলালে সজিনার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সজিনার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা । আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় এ বছর সর্বোচ্চ সজিনার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। গত বছর সজিনার উচ্চ মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা এ বছরও উচ্চ মূল্যের আশা করছেন । শুরুতে বাজারে সজিনার কেজি ২০০ টাকা হলেও বাজারে বর্তমানে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে ব্যবসায়ীরা কৃষকের কাছ থেকে ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে পাইকারি ক্রয় করছে। মূল্য বেশি পাওয়ায় কৃষকরা সজিনার ডাল রোপন করতে উৎসাহী হচ্ছে। বসতবাড়ির আশেপাশে রাস্তার ধারে ক্ষেতের আইলে লাগানো সজনে গাছ যত্ন ছাড়াই অবহেলার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। সজিনা পুষ্টি ও ভেষজগুনে ভরা সবজি হিসেবে খুব দামি।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রায় সব এলাকায় সজিনা গাছ আছে। প্রতি হেক্টরে ফলন চার থেকে সাড়ে চার টন। দেশে দুটি জাত আছে,একটি হলো সজিনা আরেকটি হলো নজিনা। ভারত থেকে হাইব্রিড সুদিনার জাত এদেশে এসেছে। এ জাতের বীজ বপন করে লাগাতে হয়। হাইব্রিড জাতের সজিনা গাছে দুবার ফুল আসে। ফেব্রুয়ারি মার্চ ও জুন জুলাই মাসে। সজিনা গাছের পাতা, ফল, ব্যাকল ও শিকর সবই মানুষের উপকারে আসে। সজিনার পুষ্টি গুণ অনেক বেশি। এ গাছের অনেক গুন থাকায়,এ গাছকে যাদুর গাছ বলা হয়। কাঁচা সবুজ পাতা রান্না করে, ভর্তা করেও বড়া ভেজে খাওয়া যায়। ফল সবজির মত রান্না করে খাওয়া যায়। ফল পাকলে সে সব ফলের ফলের বীজ বাদামের মতো ভেজে খাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এবছর সজিনার সর্বচ্চো ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরও জানা যায়, উপজেলার প্রতি বাড়িতে কমবেশি সজিনার গাছ আছে। সজিনা পুষ্টিকর সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনা ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

জাগ্রত জয়পুরহাট

সর্বশেষ

জনপ্রিয়