• মঙ্গলবার   ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৯ রজব ১৪৪৪

জাগ্রত জয়পুরহাট

জান্নাত লাভে নবীজির শেখানো ছোট তিন আমল

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত: ৪ ডিসেম্বর ২০২২  

বিশুদ্ধ ঈমান ও নেক আমলের বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জান্নাত দেবেন। আল্লাহর ইবাদতকে বলা হয় নেক আমল। আল্লাহর হুকুম ও রাসুল (স.)-এর সুন্নত অনুযায়ী যারা জীবন পরিচালনা করেন, তাদের পুরো সময়টাই ইবাদত হিসেবে গণ্য। এর বাইরেও রাসুলুল্লাহ (স.) ছোট ছোট কিছু আমলের কথা বলেছেন, যার মাধ্যমে জান্নাত লাভ একদম সহজ হয়ে যায়। এখানে পাঠকদের জন্য সেরকম তিনটি আমল উল্লেখ করা হলো।

আয়াতুল কুরসির বিনিময়ে জান্নাত
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার আয়াতুল কুরসি পড়লে বিনিময়ে তাকে আল্লাহ জান্নাতের মেহমান বানিয়ে নেন। আবু উমামাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, তাকে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো কিছু জান্নাতে যেতে বাধা দিতে পারবে না। (তাবরানি: ৭৫৩২; সহিহুল জামে: ৬৪৬৪)

প্রত্যেকবার যে দোয়ায় জান্নাতে একটি করে খেজুর গাছ লাগানো হবে
ছোট একটি বাক্য ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়াবিহামদিহি’। আল্লাহ তাআলা এই বাক্যের বিনিময়ে বান্দার জন্য জান্নাতে খেজুরগাছ লাগিয়ে দেন। এভাবে বান্দা জান্নাতের বাসিন্দা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করতে পারে। আল্লাহর রাসুল (স.) বলেছেন, ‘যে লোক (একবার) বলে ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়াবিহামদিহি’,  তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুরগাছ লাগানো হয়।’ (তিরমিজি: ৩৪৬৪)

যে আমলে সব কবিরা গুনাহ মাফ
আরেকটি এমন আমল আছে, যার মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডে সব কবিরা গুনাহ থেকে পবিত্র হওয়া যায়। জায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (স.)-কে বলতে শুনেছেন, যে লোক বলে, ‘আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি’ অর্থ: ‘আল্লাহ তাআলার কাছে আমি ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, যিনি চিরজীবী, চিরস্থায়ী এবং আমি তাঁর কাছে তাওবা করি’, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যদিও সে রণক্ষেত্র থেকে পলায়ন করে থাকে। (তিরমিজি: ৩৫৭৭)

এভাবেই মহান আল্লাহ তাআলা বান্দাদের পাপমুক্ত করে জান্নাতে প্রবেশ করার সুযোগ তৈরি করেন। সুতরাং আমাদের দায়িত্ব হবে- সেগুলো লুফে নেওয়া। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সেই তাওফিক দান করুন। আমিন।

জাগ্রত জয়পুরহাট
জাগ্রত জয়পুরহাট