শুক্রবার   ২৪ মে ২০২৪ || ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

প্রকাশিত: ০৫:১৫, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মৃত্যুর স্মরণ সৎকাজের অনুপ্রেরণা

মৃত্যুর স্মরণ সৎকাজের অনুপ্রেরণা

মৃত্যু অমোঘ, অনিবার্য ও অবধারিত সত্য। একে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘প্রতিটি প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে এবং কিয়ামতের দিন তোমরা পূর্ণ বিনিময় পাবে।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৮৫)

নির্দিষ্ট সময় শেষ হলে আর কাউকেই অবকাশ দেওয়া হবে না। এরশাদ হয়েছে, ‘হে আমার প্রতিপালক, যদি আপনি আমাকে আরও কিছুদিনের জন্য সময় দিতেন, তাহলে আমি সদকা করে আসতাম ও সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। অথচ নির্ধারিত সময়কাল যখন এসে যাবে, তখন আল্লাহ কাউকে আর অবকাশ দেবেন না।’ (সুরা মুনাফিকুন: ১০-১১)

তাই মৃত্যুর কথা স্মরণ করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। হাদিসে এমন ব্যক্তিকে বুদ্ধিমান বলা হয়েছে, যে মৃত্যুর কথা স্মরণ করে পরকালের জীবনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। মহানবী (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘মুমিনদের মধ্যে সবচেয়ে বুদ্ধিমান কে?’ তিনি বলেন, ‘যারা মৃত্যুকে বেশি স্মরণ করে এবং মৃত্যু-পরবর্তী জীবনের জন্য উত্তমরূপে প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তারাই সবচেয়ে বেশি বুদ্ধিমান।’ (ইবনে মাজাহ: ৪২৫৯) মৃত্যুর কথা ভুলে পার্থিব ভোগ-বিলাসে মেতে ওঠা মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়। দুনিয়ার লোভ আমাদের মৃত্যুর প্রস্তুতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বেশি থেকে বেশি (পার্থিব ভোগ-বিলাসের উপকরণ) কামানোর লোভ তোমাদের গাফিল করে রাখে।’ (সুরা তাকাসুর: ১) হাদিসে মহানবী (সা.) মৃত্যুকে স্বাদ ও রুচি নষ্টকারী বস্তু আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমরা বেশি করে স্বাদ বিনষ্টকারী বস্তুটির কথা তথা মৃত্যুকে স্মরণ করো।’ (তিরমিজি: ২৩০৭) এমনটি বলার কারণ হলো, মৃত্যুর স্মরণ দুনিয়ার অস্থায়ী জীবনের আরাম-আয়েশে ডুবে থাকতে দেয় না। পরকালের প্রস্তুতি নিতে তাড়া দেয়।

জাগ্রত জয়পুরহাট

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

সর্বশেষ