• শুক্রবার   ২১ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৮ ১৪২৮

  • || ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

জাগ্রত জয়পুরহাট

রোনালদোদের দলে খেলার উপযুক্ত মাত্র ৭ জন

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত: ১৭ ডিসেম্বর ২০২১  

করোনাভাইরাস আবার ভয়ংকর রূপে ফিরে এসেছে ফুটবলে। গত সপ্তাহে টটেনহাম প্রথমে টানা দুই ম্যাচ বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। মঙ্গলবার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড–ব্রেন্টফোর্ড ম্যাচ স্থগিত হয়েছিল করোনার কারণেই। সেদিন ইউনাইটেডের খেলোয়াড়ের করোনাই ম্যাচ স্থগিত হওয়ার কারণ বলে জানা গিয়েছিল। ব্রেন্টফোর্ডও ছাড় পায়নি। নতুন করে চারজন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েছে ক্লাবটি।

আজই চেলসির মূল একাদশের তিনজন খেলোয়াড় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যেই আগামী শনিবারের ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কারণ, চোট ও করোনা মিলে এত বেশি খেলোয়াড় হারিয়েছে দলটি, শনিবার ব্রাইটনের বিপক্ষে মূল স্কোয়াডের মাত্র সাতজন খেলতে পারতেন!

আজ ব্রাইটনের বিপক্ষে ম্যাচটি স্থগিতের খবর জানিয়েছে ইউনাইটেড। এক বিবৃতিতে ক্লাব বলেছে, এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না তাদের, ‘খেলোয়াড় ও কোচদের সুরক্ষাই আমাদের মূল চিন্তা। যে পরিমাণ খেলোয়াড় ও স্টাফ করোনার কারণে আইসোলেশনে গেছেন, এই ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ না করে উপায় ছিল না। আমরা ক্যারিংটন ট্রেনিং কমপ্লেক্সের সব ফুটবল কার্যক্রমও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ করে দিচ্ছি। আশা করছি, এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে আসবে। এভাবে ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য যদি কাউকে হতাশ করে থাকি বা কাউকে অসুবিধায় ফেলি, সে জন্য ক্ষমা চাইছি।’

টেলিগ্রাফের সাংবাদিক জেমস ডাকার দাবি করেছেন, চোট ও করোনা ইউনাইটেডের স্কোয়াড একদম ছোট করে দিয়েছে। মূল স্কোয়াডে অন্তত ১৩ জন খেলোয়াড় থাকলে একটি দল ম্যাচ খেলতে বাধ্য। কিন্তু ইউনাইটেডে নাকি এখন প্রয়োজনের প্রায় অর্ধেক খেলোয়াড় আছেন বলে জানিয়েছেন ডাকার, ‘ইউনাইটেড-ব্রাইটন ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে, যা জানা গেছে, করোনার আইসোলেশন ও চোটের কারণে স্থগিত হওয়া ব্রাইটন ম্যাচে ইউনাইটেড মূল স্কোয়াডের মাত্র ৯ জনকে পেত, যা ব্রাইটন ম্যাচে সাতে নেমে এসেছিল।

এদিকে ব্রেন্টফোর্ডের কোচ টমাস ফ্রাঙ্ক এভাবে একের পর এক ম্যাচ না পিছিয়ে আগামী সপ্তাহের সব ম্যাচই স্থগিতের পক্ষে। নতুন চারজনের আক্রান্ত হওয়ার খবরে ব্রেন্টফোর্ডের মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হয়ে গেছে। এই খবর পাওয়ার পর ফ্রাঙ্ক বলেছেন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য অবশ্যই এই সপ্তাহের সব খেলা থামিয়ে দেওয়া উচিত, ‘আমার মনে হয়, সপ্তাহান্তের সব প্রিমিয়ার লিগের খেলা স্থগিত করা উচিত। প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোতে করোনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। সবাইকে এ সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামাতে হচ্ছে। এই রাউন্ডের ম্যাচ ও কারাবাও কাপের ম্যাচ বন্ধ থাকলে সবাই এক সপ্তাহ বা চার-পাঁচ দিন সময় পাবে সবকিছু পরিষ্কার করার। অনুশীলন মাঠ ও সবকিছু পরিষ্কার করার জন্য সময় দরকার, যাতে সংক্রমণের এই চেইন ভাঙা যায়।’

জাগ্রত জয়পুরহাট
জাগ্রত জয়পুরহাট