হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের রাডারঘাঁটিতে মার্কিন হামলা
হরমুজ প্রণালীর দিকে ইরানের পাঠানো ড্রোন ড্রোন ভূপাতিত করার পর দেশটির উপকূলীয় রাডার সাইটগুলোতে শনিবার (৬ জুন) পাল্টা হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধ থামানোর জন্য যখন পরোক্ষ আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই এই ঘটনা ঘটল।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, চারটি ইরানি ড্রোন ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল বলে সামরিক বাহিনী নিশ্চিত হয়েছিল। এর জবাবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের ‘গোরুক’ ও ‘কেশম’ দ্বীপের নজরদারি চৌকিগুলোতে বিমান হামলা চালায়।
উল্লেখ্য, যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই পরিবহন করা হতো, যা বর্তমানে ইরান কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে। যেকোনো শান্তিচুক্তির শর্ত হিসেবে তেহরান তাদের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, তেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি এবং শত শত কোটি ডলারের আটকে থাকা তেল রাজস্বের ভাগ দাবি করছে।
এ যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন হামলায় ইরানের বেশির ভাগ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কেন্দ্র ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এখনো তাদের কাছে মোট ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ২১% থেকে ২২% অবশিষ্ট রয়েছে। ইরানের চুক্তি করতে দেরি করার কারণ হিসেবে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, তারা অত্যন্ত গর্বিত ও শক্তিশালী জাতি।
এমন কিছু পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা তারা কখনো ভাবেনি, কিন্তু এখন তাদের বাধ্য হয়েই তা করতে হচ্ছে। তাই চুক্তি হতে কিছুটা সময় লাগছে।

.webp)
.webp)
.webp)





.webp)


.webp)
.webp)
.jpg)
.jpg)