শনিবার   ১৬ মে ২০২৬ || ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১৩:১৪, ১৬ মে ২০২৬

ফরিদপুরে মা-মেয়ের গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা

ফরিদপুরে মা-মেয়ের গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা
সংগৃহীত

ফরিদপুরের রাজবাড়ী সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মা ও মেয়ের গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। নিহত জাহানারা আক্তারের বাবা লালন মোল্লা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে শুক্রবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় মামলাটি করেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত জাহানারার (৩০) বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার নারান তেওতা গ্রামে। প্রায় সাত বছর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার আমজাদ শেখের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সাবিনা আক্তার নামে পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান ছিল। বিয়ের পর থেকেই এই দম্পতির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৪ মে রাজবাড়ীর চর দৌলতদিয়া এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে কুলখানি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন জাহানারা ও তার মেয়ে সাবিনা। এরপর থেকেই তারা নিখোঁজ ছিলেন। ওই দিন রাতেই স্বামী আমজাদ শেখ শ্বশুরবাডিতে ফোন করে জানান, তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরদিন ৫ মে আমজাদ গোয়ালন্দ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। অন্যদিকে, মেয়ের কোনো সন্ধান না পেয়ে লালন মোল্লা জামাতা আমজাদকে বিবাদী করে গোয়ালন্দ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালীতলা এলাকায় ইখলাস মোল্লার কলাবাগানে একটি গর্তের ভেতর কলাগাছ দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দুটি মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে প্রথমে গোয়ালন্দ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এলাকাটি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার সীমানায় হওয়ায় মরদেহ দুটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ ১০ দিন গর্তে থাকায় লাশ দুটি অনেকটা গলে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল।

মামলার বাদী লালন মোল্লা জানান, অভাবের কারণে মেয়ে প্রায়ই তার কাছে টাকা চাইত। সাধ্যমতো তিনি সাহায্যও করতেন। কিন্তু এভাবে মেয়েকে হারাতে হবে তা কল্পনাও করেননি।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে আটকদের পরিচয় বা সংখ্যা প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে দ্রুতই রহস্য উদ্‌ঘাটন হবে বলে আমরা আশা করছি।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, গতকাল (শুক্রবার) ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

শনিবার   ১৬ মে ২০২৬ || ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১৭৩জন