বৃহস্পতিবার   ১২ মার্চ ২০২৬ || ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১০:৩৪, ১২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন খাতে দৈনিক ক্ষতি ৬০০ মিলিয়ন ডলার

মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন খাতে দৈনিক ক্ষতি ৬০০ মিলিয়ন ডলার
সংগৃহীত

ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ভ্রমণ ও পর্যটন খাতে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৬০ কোটি (৬০০ মিলিয়ন) ডলারের ক্ষতি হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডব্লিউটিটিসি) গতকাল এক বিবৃতিতে এই আর্থিক ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেছে। সংস্থাটির মতে, আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ব্যয় কমে যাওয়ায় এই ধস নেমেছে।

ডব্লিউটিটিসি জানিয়েছে, আকাশপথে যাতায়াত ব্যাহত হওয়া, পর্যটকদের মধ্যে আস্থার সংকট এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার কারণে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চাহিদা তলানিতে ঠেকেছে। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক পর্যটনের ৫ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক ট্রানজিট ট্রাফিকের ১৪ শতাংশ এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে পরিচালিত হয়।

দুবাই, আবুধাবি, দোহা এবং বাহরাইনের মতো প্রধান বিমানবন্দরগুলো দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ২৬ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। সেখানে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং অনেক রুটে উড়োজাহাজের ভাড়ায় বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।

সংস্থাটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন খাতের যে পূর্বাভাস ছিল, তাতে এ বছর আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছ থেকে ২০ হাজার ৭০০ কোটি (২০৭ বিলিয়ন) ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। বিবৃতিতে বলা হয়, ভ্রমণ প্রবাহে যেকোনো ধরনের ব্যাঘাত পর্যটন ইকোসিস্টেমে খুব দ্রুত এবং বড় ধরনের অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলে। 

তবে ডব্লিউটিটিসি-র প্রেসিডেন্ট ও সিইও গ্লোরিয়া গেভারা কিছুটা আশার বাণী শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, “ভ্রমণ ও পর্যটন খাত অত্যন্ত স্থিতিস্থাপক এবং অতীতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর রেকর্ড রয়েছে।” পর্যটকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সঠিক তথ্যের আদান-প্রদান, সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

সূত্র : সিএনএন।  

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ