মঙ্গলবার   ২৮ এপ্রিল ২০২৬ || ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১৭:১৬, ২ অক্টোবর ২০২৫

ফেনীতে নদীর পানি কমলেও কাটেনি আতঙ্ক

ফেনীতে নদীর পানি কমলেও কাটেনি আতঙ্ক
সংগৃহীত

ফেনীতে টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজানের ঢলে মুহুরী নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে ফুলগাজী বাজারের আংশিক অংশ। বর্তমানে নদীর পানি কিছুটা কমলেও কাটেনি আতঙ্ক। প্রতি বছরের মতো এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তির জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল দুপুর থেকে ফুলগাজী পুরাতন পশুর হাট-সংলগ্ন স্লুইস গেট দিয়ে পানি প্রবেশ করে। এতে ফেনী-পরশুরাম আঞ্চলিক সড়কের আংশিক অংশ ও বেশকিছু দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়ে। আজ সকাল থেকে পানি কিছুটা কমলেও বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় ব্যবসায়ীদের মাঝে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ভারতের উজানের পানিতে গতকাল থেকে নদীর পানি বাড়লেও এখন ধীরে ধীরে কমছে। বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটারের মধ্যে দুপুর ২টার দিকে নদীর পানি ১০ দশমিক ২৯ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। 

জহিরুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, নদীর পানি কমেছে। তবে ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টি হলে আমাদের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙনের শঙ্কা রয়েছে। এখনো থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। কখন কি হয় তা নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না।

ফুলগাজী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত বছরও একই স্থান দিয়ে পানি ঢুকে বাজার প্লাবিত হয়েছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়সারা কাজের কারণে আবারও পানি ঢুকেছে। এখানে তাদের গাফেলতি রয়েছে। স্লুইসগেইট ও পানি নিষ্কাশনে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক থাকলে বারবার এ ক্ষতির মুখে পড়তে হতো না। পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যবসায়ীদের দায়ী করে যে অভিযোগ করছেন তাও মনগড়া, এসব সত্য নয়। 

ফেনী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান বলেন, আজ দুপুর ৩টা পর্যন্ত জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ফাহাদ্দিস হোসাইন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ফুলগাজী পুরাতন পশুর হাট-সংলগ্ন স্লুইস গেটের স্থানটি ইতোপূর্বে সংস্কার করা হয়েছিল। তবে সেখানে ময়লা ফেলে সংস্কার করা স্থানটি আবারও নষ্ট করে ফেলেছে। এখানে ব্যবসায়ীদের দায় রয়েছে। তবে নদীর পানি কমলে বাঁধে ভাঙনের শঙ্কা নেই।

প্রসঙ্গত, প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে ভারতের উজানের পানিতে মুহুরী, কুহুয়া এবং সিলোনিয়া নদীর বাঁধ ভেঙে ফুলগাজী-পরশুরামের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়। 

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

মঙ্গলবার   ২৮ এপ্রিল ২০২৬ || ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১৭৩জন