শনিবার   ০৪ এপ্রিল ২০২৬ || ২০ চৈত্র ১৪৩২

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১৩:০২, ৪ এপ্রিল ২০২৬

টুর্নামেন্টসেরা বাংলাদেশের গোলরক্ষক, দেশবাসীকে শিরোপা উৎসর্গ

টুর্নামেন্টসেরা বাংলাদেশের গোলরক্ষক, দেশবাসীকে শিরোপা উৎসর্গ
সংগৃহীত

টাইব্রেকারে রোনান সুলিভানের শট গোললাইন অতিক্রম করার পরই মালে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে তুমুল উল্লাস শুরু হয়। ফুটবলাররাও ছুটছেন একেকজন একেক দিকে। টাইব্রেকারে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতোয়ারা সবাই। 

বাংলাদেশের শিরোপার জয়ের অন্যতম কারিগর গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন। টাইব্রেকারে ভারতের প্রথম শট ঠেকিয়ে তিনি বাংলাদেশকে লিড নেওয়ার প্রথম সুযেগ তৈরি করেন। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি মাত্র একটি গোল হজম করেছেন। এই ধারাবাহিকতার জন্য টুর্নামেন্টেরসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার উঠেছে তার হাতে। 

বাংলাদেশ দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় অন্য সবার মতো মাহিনও অত্যন্ত খুশি। প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘প্রথম শটটি ঠেকিয়ে অসাধারণ লেগেছে। মনে হয়েছে দেশের ২০ কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণ করতে চলছি।’ 

বাংলাদেশ গত বছর ভারতের অরুণাচলে সাফ অ-১৯ টুর্নামেন্টের টাইব্রেকারে হেরেছিল। তাই এই শিরোপা বাংলাদেশের অধিনায়ক মাহিনের কাছে একটু বেশি অন্য রকম,‌ ‘আমি চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় অনেক খুশি। আমার বন্ধু আশিককে অনেক মিস করতেছি। আমরা একসঙ্গে এই টুর্নামেন্ট খেলেছি। আমি ওকে এই ট্রফি উৎসর্গ করছি।’

মালদ্বীপে বাংলাদেশ প্রতি ম্যাচে অনেক সমর্থন পেয়েছে প্রবাসীদের। তাই প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়ে অধিনায়ক মিঠু বলেন, ‘সমর্থকদের ধন্যবাদ। প্রতি ম্যাচে তারা আমাদের সমর্থন দিয়েছেন। আমরা তাদের ট্রফি উপহার দিতে পেরেছি।’ বাংলাদেশ অ-২০ দলের ফুটবলাররা এই শিরোপা দেশবাসীকে উৎসর্গ করেছেন। 

এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফুটবলার ছিলেন আমেরিকান প্রবাসী রোনান সুলিভান। পুরো টুর্নামেন্টে তার নৈপুণ্য মুগ্ধতা ছড়িয়েছে। চার ম্যাচে তিনি দুই গোল করেছেন, আরেকটি করিয়েছেন (অ্যাসিস্ট)। আজ টাইব্রেকারের শেষ শটে তার গোলেই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়। তিনি একবার ম্যাচসেরা হলেও টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার অবশ্য পাননি। সেটি পেয়েছেন তিন গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া ভারতের ফুটবলার ওমাং দুদুম। তার সাথে যৌথ সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছেন মালদ্বীপের ইলান ইমরান তৌহিদও।

এ ছাড়া ফেয়ার প্লে পুরস্কার পেয়েছে স্বাগতিক মালদ্বীপ। পুরস্কার প্রদান মঞ্চে সাফ সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন অনুপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল ফেডারেশন বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতা একেক বছর একেক বয়সে আয়োজন করে। গত বছর অ-১৯ করলেও এক বছর আগে অ-২০ করেছিল। ২০২৪ সালের সেই টুর্নামেন্টে স্বাগতিক নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ