সেখানকার অবস্থা ভয়াবহ, ঝুঁকির মধ্যে ফ্লাইট দেওয়ায় ইউএস-বাংলাকে ধন্যবাদ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ বলে জানিয়েছেন দুবাই থেকে ফেরত আসা প্রবাসী ওমর ফারুক। তিনি বলেন, দুবাইয়ে অন্তত ১৫ থেকে ২০ লাখ বাঙালি রয়েছে। সেখানকার অবস্থা খুবই ভয়াবহ। মিসাইল হামলা হলে কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়, তা তো আপনারা জানেন।
দুবাইয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বুধবার (৪ মার্চ) প্রথম ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে উড্ডয়ন করে। পরে ফ্লাইটটি দুবাই থেকে স্থানীয় সময় রাতে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে ঢাকায় অবতরণ করে। বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ইউএস-বাংলার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি দুবাইয়ে পাঁচ বছর ছিলাম। এই ঝুঁকির মধ্যেও ইউএস-বাংলা আমাদের ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে, তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা যেন নতুন জীবন পেয়েছি।
তিনি বলেন, উদ্যোগ নিলে সবই সম্ভব। আমরা প্রবাসী, আমাদের রেমিট্যান্সে দেশ চলে। তাই প্রবাসীদের সহযোগিতা করা উচিত। যারা সেখান থেকে ফিরতে চান, তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে।
শে ফেরা ওমর ফারুক দুবাইয়ের পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে জানান, গত কয়েকদিন দমবন্ধ অবস্থায় সেখানে অবস্থান করছিলেন তিনি। এখনো দুবাইয়ে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা টিকিটের জন্য ছোটাছুটি করছেন। সেখানে ফেসবুক ছাড়া নির্ভরযোগ্য কোনো সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে না এবং হটলাইনগুলোও কোনো কাজে আসছে না।
তিনি বলেন, আমার বাসার পাশেই একটি মিসাইল পড়েছে। দুবাই সরকার সেগুলো প্রতিহত করার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। তারা জানিয়েছে, তারা ৯৭ শতাংশ মিসাইল প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে এবং বাকি ৩ শতাংশ আঘাত হেনেছে। যদি সবগুলো মিসাইল আঘাত হানত, তবে পরিস্থিতি কী হতো?
তিনি আরও বলেন, সবাই দেশে আসার জন্য হাহাকার করছে। আমাদের তো ফ্লাইট নেই, আসবে কী করে? আমাদের জন্য ইউএস বাংলা যেটা করেছে সেটা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট









