বুধবার   ১৮ মার্চ ২০২৬ || ৩ চৈত্র ১৪৩২

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১২:০৯, ১৮ মার্চ ২০২৬

ভোটের মাঠে ব্যয়ের হিসাব : বগুড়া ও শেরপুরে প্রার্থীদের পকেটে ‘টাকার সিলিং

ভোটের মাঠে ব্যয়ের হিসাব : বগুড়া ও শেরপুরে প্রার্থীদের পকেটে ‘টাকার সিলিং
সংগৃহীত

ব্যালট যুদ্ধের ডামাডোলে এবার যুক্ত হলো খরচের কড়াকড়ি। আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত এই হিসেবে বগুড়ার প্রার্থীদের চেয়ে শেরপুরের প্রার্থীরা ব্যয়ের সুযোগ পাচ্ছেন কিছুটা কম। ইসির হিসেব অনুযায়ী, এবার প্রতি ভোটারের পেছনে সর্বোচ্চ ১০ টাকা খরচ করতে পারবেন প্রার্থীরা।

নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা শাখা থেকে এ সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বগুড়া-৬ আসনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। যার মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যাই বেশি (২ লাখ ৩১ হাজার ২৩৭ জন)। ইসির বেধে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার প্রতি ১০ টাকা হিসেবে এই আসনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৩ টাকা ব্যয় করার আইনি বৈধতা পাচ্ছেন।

এই আসনে মূল লড়াইয়ে রয়েছেন তিন প্রার্থী। মো. আবিদুর রহমান (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. রেজাউল করিম বাদশা (বিএনপি) এবং মো. আল আলিম তালুকদার (বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি)।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে আইন অনুযায়ী ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে এই আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় এখানে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এখানেও ভোটার প্রতি ১০ টাকা হিসেবে প্রার্থীদের ব্যয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৪১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭০ টাকা।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সরে দাঁড়ালেও বর্তমানে ভোটের লড়াইয়ে টিকে আছেন চারজন। মো. মাসুদুর রহমান (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. মাহমুদুল হক রুবেল (বিএনপি), মো. মিজানুর রহমান (বাসদ-মার্কসবাদী) ও মো. আমিনুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের সময় একজন বৈধ প্রার্থীর মৃত্যুতে এই আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছিল।

ইসি জানিয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই দুই আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোট সুষ্ঠু করতে এবং নির্বাচনী ব্যয়ের এই সীমা যেন লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন সংশ্লিষ্টরা।

এসআর/এসএম

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট