সিরাজগঞ্জে ৭ কোটি টাকার খাল খনন প্রকল্পের কাজ চলছে
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর উপজেলায় প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি খাল খনন কর্মসূচি প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এসব প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন হলে পানি প্রবাহ ও সেচ কাজের সুবিধা পাবে কৃষকেরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুদান খাতে সারাদেশে এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জে খাল খনন, পুনঃখনন ও সংস্কার কাজ শুরু হয়। এ খাল খনন কর্মসূচি প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।
প্রকল্পগুলো হলো— উল্লাপাড়া উপজেলার কয়রা বাগলপুর থেকে কয়রা চরপাড়া, চড়ুইমড়ুই, চাওল, কান্দুয়া বিল হয়ে মুক্তা নদীর পাড় পর্যন্ত খাল খনন। এ খাল খনন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ কোটি ৬ লাখ ৩ হাজার ৮০ টাকা।
একই উপজেলার পূর্ব দেলুয়া সেতুর নিকট থেকে ছড়িয়া শিকার হয়ে হাটিকুমরুল ধোপাকান্দি পর্যন্ত খাল খনন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ৫২ হাজার ১৬৫ টাকা।
এছাড়া শাহজাদপুর উপজেলার মশিপুর বাজার ছোট সেতু থেকে লালপুর পর্যন্ত খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ ৯১ হাজার ১১৪ টাকা।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয় এবং গঠিত এ কমিটি উপজেলা প্রশাসন অনুমোদন দেয়। গত ১৮ মে থেকে এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুদান খাতে বরাদ্দ ৬ কোটি ৮২ লাখ ৩৬ হাজার ৩৫৯ টাকা ব্যয়ে এসব প্রকল্পের কাজ চলছে এবং ভেকু মেশিন দিয়ে খাল খননের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন এ কাজ বাস্তবায়নে তদারকি করছে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যেই প্রকল্পগুলোর গড়ে ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন হলে পানি প্রবাহ ও কৃষি সেচ কাজে সুবিধা পাওয়া যাবে। আগামী জুন মাসের মধ্যেই জনগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল বাছেদ বলেন, এ ৩টি প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন তদারকি করছে এবং সরকারি বিধিমতে প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
রোববার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ-ন-ম বজলুর রশীদ এ ৩টি প্রকল্প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি প্রকল্পের কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তার হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। এ প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। প্রকল্পের কাজ শুরু থেকেই জেলা প্রশাসন ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করছেন। যথাসময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
.webp)

.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)





.avif)

.webp)
.webp)