আন্তর্জাতিক পর্দায় ঋত্বিক ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’সহ আট ছবি
কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের কালজয়ী সৃষ্টিগুলো এবার আরও ঝকঝকে ও প্রাণবন্ত রূপে পর্দায় ফিরছে। সময়ের ধুলো ঝেড়ে এই মহান নির্মাতার আটটি বিখ্যাত সিনেমাকে আধুনিক ‘প্রিসটিন-৪কে’ রেজলিউশনে রূপান্তরিত ও সংরক্ষণ করা হয়েছে। আর এই মাস্টারপিসগুলো নিয়ে চলতি জুন মাসজুড়ে লন্ডনে বসছে বিশেষ প্রদর্শনীর আসর।
ঋত্বিক ঘটকের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ন্যাশনাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে এই রেট্রোস্পেকটিভ-এর আয়োজন করেছে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট । ‘রেভলিউশনারি সিনেমা, দ্য প্যাশন অব ঋত্বিক ঘটক’ শীর্ষক এই উৎসবের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরের দর্শক নতুন করে ঋত্বিকের সিনেম্যাটিক জার্নি উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।
সংরক্ষণ করা ছবিগুলোর তালিকায় রয়েছে ঋত্বিক ঘটকের অবিস্মরণীয় সব সৃষ্টি-‘নাগরিক’, ‘অযান্ত্রিক’, ‘বাড়ি থেকে পালিয়ে’, ‘মেঘে ঢাকা তারা’, ‘কোমল গান্ধার’, ‘সুবর্ণরেখা’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ এবং ‘যুক্তি তক্কো আর গপ্পো’।
ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ন্যাশনাল ফিল্ম হেরিটেজ মিশন’ প্রকল্পের আওতায় এই অডিও-ভিজ্যুয়াল ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ নির্দেশনায় দীর্ঘদিন ধরে এই আর্কাইভাল কাজ চলছিল।
সিনেমার মূল নান্দনিকতা ও সৃষ্টিকে একদম অক্ষত রেখে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ‘কালার গ্রেডিং’ প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধান করেছেন ভারতের জাতীয় পুরস্কারজয়ী খ্যাতনামা চিত্রগ্রাহক অভীক মুখার্জি।
এই ঐতিহাসিক যাত্রার সঙ্গী হতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ঋত্বিক ঘটকের কালজয়ী সিনেমা পুনরুদ্ধার প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে অন্যতম মৌলিক চলচ্চিত্র নির্মাতা। একজন চিত্রগ্রাহক হিসেবে তার অসাধারণ শিল্পকর্মকে খুব কাছ থেকে ও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পেয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ন্যাশনাল ফিল্ম আর্কাইভ অব ইন্ডিয়ার ন্যাশনাল ফিল্ম হেরিটেজ মিশনের এই প্রকল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে। এই চমকপ্রদ উদ্যোগের জন্য আমি কাজের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।’
এমআইকে
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট



.webp)







.webp)


.webp)
.webp)
