শনিবার   ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ || ১৭ মাঘ ১৪৩২

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১১:২৭, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনী পরিবেশ আপাতত শান্ত, ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা

নির্বাচনী পরিবেশ আপাতত শান্ত, ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা
সংগৃহীত

চায়ের দোকানে সকাল থেকেই লোকসমাগম। নানা বয়সী মানুষের আসা-যাওয়া। দুপুরের দিকে জমজমাট আড্ডা। স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় নির্বাচন। দীর্ঘদিন পর নির্বাচনী আমেজ ফিরে আসায় কেউ সন্তুষ্ট, আবার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পরিবেশ শান্ত থাকবে কি না, তা নিয়ে অনেকেরই সংশয়। আবার কারও কারও জিজ্ঞাসা, নির্বাচন হবে তো?

তবে একটি বিষয়ে সবাই একমত। সেটা হলো, গণভোট নিয়ে ধারণা অস্পষ্ট। প্রচার চললেও গণভোটের বিষয়বস্তু ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না গ্রামের মানুষ। প্রার্থীদের কেউ কেউ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানালেও কী বিষয়ে এই ভোট, সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেই গ্রামের মানুষের।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কচুখাইন এলাকায় একটি চায়ের দোকানে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে এমনই আলোচনা শোনা যায়। এ উপজেলা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৬ আসনে এবারের নির্বাচনে চার দলের চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রচার শুরু করেছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। প্রার্থী ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে মাইকিং, বিলি করা হচ্ছে প্রচারপত্র, ঝুলছে ব্যানার।

নির্বাচনী পরিবেশ জানতে–বুঝতে রাউজানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখি। কথা হয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হয়েছিল ২০০৮ সালে। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত তিনটি নির্বাচন ছিল একতরফা ও বিতর্কিত।

রাতের ভোট নিয়ে ক্ষোভ

কচুখাইন গ্রামের চায়ের দোকানের আড্ডায় ছিলেন সাত ব্যক্তি। তাঁদের একজন মো. ইদ্রিস (৭২) নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করেন। আগের নির্বাচনগুলোতে ভোট দিতে গিয়ে কী পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলেন, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। চট্টগ্রামের ভাষায় তিনি যা বললেন তার অর্থ দাঁড়ায়, ‘একবার তো রাতের আঁধারে ভোট হয়ে গিয়েছিল। সকালে কেন্দ্রে গিয়েও ভোট দিতে পারিনি। গতবারও (২০২৪–এর ৭ জানুয়ারি) ভোট দিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু একটি দলের লোকজন বলে, এক শর্তে ভোট দিতে পারবেন, প্রকাশ্য সিল মারতে হবে। তাই আর ভোট দেইনি।’

তবে এবার পরিস্থিতি বদলেছে বলে মনে করেন মো. ইদ্রিস। এতে সায় দেন আড্ডায় থাকা অন্যরাও। তাঁদের একজন ওষুধের দোকানি মাহবুব হাসান বলেন, এবার মনে হচ্ছে ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ হবে। অনেক দিন পর ভোটের পরিবেশ ফিরেছে। কারও জোরজবরদস্তি নয়, এবার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চান তিনি।

৬৭ বছর বয়সী শফিউল আলম বলেন, একেকজনের একেক প্রার্থী পছন্দ। তবে যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দিতে চান তাঁরা। এবার মনে হয় সে সুযোগ এসেছে।

সূত্র: প্রথম আলো

সর্বশেষ

সর্বশেষ

শিরোনাম

১৫ বছর শুধু বগুড়া নয়, সারা দেশই বঞ্চিত ছিল: তারেক রহমান
গাইবান্ধায় আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৩
দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন শুরু আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা
সেতুর রেলিং ভেঙে নদীতে ট্রাক, দুজনের মরদেহ উদ্ধার
বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতি পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বান
তারেক রহমানের সম্পদ বলতে ব্যাংক জমা, শেয়ার ও এফডিআর
দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা, রাতে বাড়বে শীত
বগুড়ায় ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর হত্যা, মরদেহ উদ্ধার
দুই সম্পাদক-এনসিপির ৬ নেতাসহ ২০ জনকে গানম্যান দেওয়া হয়েছে
হাদি হত্যার বিচার ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে : আইন উপদেষ্টা