জাতীয় চ্যাম্পিয়ন খৈ খৈ মারমাকে বাড়ি দিচ্ছে জেলা প্রশাসন
বাংলাদেশ টেবিল টেনিসের জাতীয় নারী চ্যাম্পিয়ন খৈ খৈ মারমা। মাস দুয়েক আগে খৈ খৈ ও জাভেদ আহমেদ ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে মিশ্র বিভাগে রৌপ্য জেতেন। রাঙমাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার প্রত্যন্ত এক গ্রামে জীর্ণশীর্ণ ঘরে বসবাস করেন খৈ খৈ। রাঙামাটি জেলা প্রশাসন কৃতি খেলোয়াড়কে বাড়ি করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, ‘খৈ খৈ রাঙামাটির গর্বিত সন্তান। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খৈ খৈ’কে বাড়ি করে দেয়া হবে। মন্ত্রণালয় বা অন্য কোনো সংস্থার নির্দেশনা নয়, জেলা প্রশাসন স্বেচ্ছায় একজন কৃতি ক্রীড়াবিদের পাশে দাড়িয়েছে। খৈ খৈয়ের উপজেলায় জায়গা থাকলেও সেখানে তাদের আত্নীয়-স্বজন ও বসবাস কম। তাই এখন যে গ্রামে রয়েছে, সেখানের জায়গায় স্থায়ী ঘর তৈরি করা হবে।’
পাহাড়ী এলাকায় বাড়ি খৈ খৈ মারমার। নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে যাতায়াত বেশ কঠিনই। এরপরও বেশ দ্রুতই আশ্বাস বাস্তবায়নের আশ্বাস জেলা প্রশাসকের, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে খৈ খৈয়ের বিষয়টি খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আমি থাকি বা না থাকি তার বাড়ি হবে। পাহাড়ি এলাকা মাটির গঠনের ওপর নির্ভর করে প্রকৌশলী ডিজাইন করবে। এরপর সেটা দ্রুতই বাস্তবায়ন হবে।’
জেলা প্রশাসন থেকে এমন খবর পাওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত খৈ খৈ মারমা। তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের জন্য খুব উপকার হবে। জেলা প্রশাসক, ইউএনও স্যার আমার বাড়িতে একটি জায়গা দেখেছেন। আমাদের সম্মতিতেই বর্তমান ভিটাতেই ঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
পার্বত্য জেলায় ভূমি সংক্রান্ত অনেক সমস্যা থাকে। খৈ খৈয়ের পারিবারিক জায়গা থাকায় সেই সংকট নেই।
টেবিল টেনিস ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটিতে আজ রদবদল হয়েছে। সহ-সভাপতি খন্দকার হাসান মুনীর সুমনের পরিবর্তে ব্যারিস্টার ওয়াসিফ ফারহান শায়েরকে নেয়া হয়েছে। হাসান মুনীর সুমন ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতি ছিলেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে গঠিত অ্যাডহক কমিটিতেও তাকে সহ-সভাপতি রাখা হয়। সেই কমিটি প্রায় এক বছর হওয়ার পথে তখন পরিবর্তন আনল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট



.jpg)












