গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে দিনে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮০০০ মেগাওয়াট
গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে দেশে দৈনিক বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮০০০ মেগাওয়াট। তবে চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ৷
রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনের সভাপতি করেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে দেশে দৈনিক বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮০০০ মেগাওয়াট। চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি না থাকলেও গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক জ্বালানির ঘাটতি, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ঝড়-বৃষ্টির কারণে মাঝে মাঝে কিছুটা বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে ও চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না।
তিনি বলেন, বিদ্যুতের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্রাহকের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলো হলো; সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন; বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামো নির্মাণ/উন্নয়ন; বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক জ্বালানির চাহিদা মোকাবিলায় (ক) জ্বালানি বহুমুখীকরণ (খ) নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব প্রদান; জ্বালানি সাশ্রয়ে গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে (লিফলেট, এসএমএস, ভিডিও) প্রচারণা; হলি-ডে স্ট্যাগারিং এবং ডিমান্ড সাইড ও সাপ্লাই সাইড ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।
এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট


.webp)
.webp)
.webp)



.webp)

