৪৯৬ রানের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারাল ভারত
পরীক্ষামূলক দল নামিয়ে বিশাখাপত্নমে নিউজিল্যান্ডের কাছে ধাক্কা খেয়েছিল ভারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে গতকাল শেষ ম্যাচে তারা পূর্ণ শক্তির দল নামিয়ে জয় পেল। টি-টোয়েন্টিতে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের দুই ইনিংস মিলিয়ে রেকর্ড ৪৯৬ রানের ম্যাচে স্বাগতিকরা জিতেছে ৪৬ রানে।
ইশান কিষাণের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিতে ভারত এই ফরম্যাটে তাদের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করে। অভিষেক শর্মা, সূর্যকুমার যাদব ও হার্দিক পান্ডিয়াও দারুণ অবদান রাখেন। এই ইনিংসে যৌথভাবে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ২৩ ছক্কা হাঁকায় ভারত। তাদের ৫ উইকেটে তোলা ২৭১ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ড ২২৫ রানে অলআউট হয়। আর্শদীপ সিং ৫১ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নিয়ে সফরকারীদের থামান।

ভারত বিশ্বকাপের আগে শেষ সিরিজে ট্রফি জিতেছে
এই ফরম্যাটে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন কিষাণ। ৪৩ বলে ৬ চার ও ১০ ছয়ে ১০৩ রান করেন তিনি। সূর্যকুমার ৩০ বলে চারটি চার ও ছয়টি ছয়ে ৬৩ রান করেন। কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে তৃতীয় উইকেটে ভারতের রেকর্ড ১৩৭ রানের জুটি গড়েন তারা ১০ ওভারের একটু বেশি খেলে।
এছাড়াও ভারতের ইনিংসে ছক্কা হয়েছে আরও সাতটি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের মোট ছক্কা ৬৯টি, যা একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজে কোনো দলের বিশ্বরেকর্ড। তারা ভেঙেছে ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের (৬৪) আগের রেকর্ড। এই ইনিংসে ভারত মোট ২৩ ছক্কা মেরেছে, টি-টোয়েন্টিতে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে ভারতের বিপক্ষেই দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩ ছক্কা হাঁকায়।
এই ফরম্যাটে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে এটা পঞ্চম সর্বোচ্চ সংগ্রহ। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ৩০৪ রান এই রেকর্ডে সবার উপরে।
অভিষেক ১৬ বলে করেন ৩০ রান। তার চেয়ে একটি বেশি বল খেলে ৪২ রান করেছিলেন হার্দিক।
লক্ষ্যে নেমে ফিন অ্যালেন ছাড়া সেভাবে নিউজিল্যান্ডের কোনো ব্যাটার বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। কিউই ওপেনার ৩৮ বলে ৮ চার ও ৬ ছয়ে ৮০ রান করেন। রাচিন রবীন্দ্র ১৭ বলে ৩০, ড্যারিল মিচেল ১২ বলে ২৬ ও ইশ সোধি ১৫ বলে ৩৩ রান করে লড়াই ধরে রাখেন। আর্শদীপ ৭৬তম ম্যাচে এসে এই ফরম্যাটে প্রথম ফাইফারের দেখা পান।
বাঁহাতি ফাস্ট বোলারের সঙ্গে বল হাতে নিউজিল্যান্ডকে বিপদে ফেলেন অক্ষর প্যাটেল। এই স্পিনার ৩ উইকেট নেন।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

















