শুক্রবার   ০৮ মে ২০২৬ || ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১৪:২৯, ৮ মে ২০২৬

মির্জা ফখরুলকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল

মির্জা ফখরুলকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল
সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলাকে ভাগ করে নতুন দুটি উপজেলা ‘রুহিয়া’ ও ‘ভুল্লী’ গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়ায় এলাকায় আনন্দের জোয়ার বইছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত ৯টার দিকে রুহিয়া ও ভুল্লী এলাকার সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল করেছে।

একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের জন্য বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক সুবিধা বৃদ্ধি ও সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সদর উপজেলাকে বিভক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা। অবশেষে সেই দাবি বাস্তবায়নের পথে এগোনোয় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

এর আগে একই দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২০তম বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে দেশের বিভিন্ন জেলার আরও কয়েকটি উপজেলা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে বগুড়াকে সিটি করপোরেশন, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলাকে ভাগ করে মোকামতলা, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলাকে ভাগ করে ‘মাতামুহুরী’ এবং লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলাকে ভাগ করে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের প্রস্তাবও অনুমোদন পায়।

রুহিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে রুহিয়াকে উপজেলা করার দাবি জানিয়ে আসছিলাম। নানা সময় স্মারকলিপি দিয়েছি, মানববন্ধন করেছি, জনপ্রতিনিধিদের কাছে গিয়েছি। কিন্তু বাস্তবায়ন হচ্ছিল না। আজ সরকারের এই সিদ্ধান্ত আমাদের দীর্ঘদিনের সেই স্বপ্ন পূরণের দ্বার খুলে দিয়েছে। আমরা আশা করছি, খুব দ্রুত প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হবে এবং সাধারণ মানুষ সরাসরি উপজেলা পর্যায়ের সব সেবা পাবে। এতে আমাদের সময়, খরচ ও ভোগান্তি অনেক কমে যাবে।

ভুল্লী বাজারের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন, ভুল্লী উপজেলা বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনীতি অনেক গতিশীল হবে। নতুন নতুন সরকারি অফিস, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে। আমরা বিশ্বাস করি, এটি শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এ অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

স্থানীয় কয়েকজন তরুণ বলেন, আমরা বিশেষভাবে বিএনপির মহাসচিব ও এলজিইডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যারকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি বারবার এই অঞ্চলের মানুষের দাবি ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতার ফলেই আজ আমরা এই সুখবর পেয়েছি। নতুন উপজেলা বাস্তবায়ন হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগসহ সব খাতে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

এদিকে, ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আনন্দ প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা। অনেকেই এটিকে এলাকার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

শুক্রবার   ০৮ মে ২০২৬ || ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১৭৩জন