বুধবার   ২০ মে ২০২৬ || ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১২:২১, ২০ মে ২০২৬

বগুড়ায় ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত ১

বগুড়ায় ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত ১
সংগৃহীত

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় গভীর রাতে একটি সেচ পাম্পের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে মো. রাফি মন্ডল (২৪) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২০ মে) ভোর সাড়ে চারটার দিকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর হোসেন (৩২) নামে আরেক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।

 

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে শেরপুর উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের চন্ডেশ্বর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের নাটাবাড়ী গ্রামের বুলু মন্ডলের ছেলে। আহত একই উপজেলার বড়বিলা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের বাসিন্দা রমজান আলী ও আব্দুল জলিল যৌথভাবে একটি সেচ পাম্প পরিচালনা করেন। চুরির হাত থেকে রক্ষা পেতে তারা ওই পাম্পের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের সঙ্গে একটি বিশেষ সতর্কবার্তা ডিভাইস (অ্যালার্ম) যুক্ত করে রেখেছিলেন। গভীর রাতে রাফি ও জাহাঙ্গীর ওই ট্রান্সফরমারটি চুরি করতে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রমজান ও আব্দুল জলিলের মুঠোফোনে কল চলে যায়। ডিভাইসের সংকেত পেয়ে মালিকপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে চোর চোর বলে চিৎকার শুরু করেন।

 

তাদের চিৎকারে আশপাশের দুই-তিনটি গ্রামের মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে ছুটে এসে চারদিক থেকে ঘেরাও করে ওই দুই যুবককে ধরে ফেলে। এসময় উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে দুজনই গুরুতর জখম হন।

 

পরে স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সাড়ে চারটার দিকে রাফি মন্ডল মারা যান। আহত জাহাঙ্গীর হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

খবর পেয়ে শেরপুর থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

 

শেরপুর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, ‘ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার একজন মারা গেছেন। তার মরদেহ বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

বুধবার   ২০ মে ২০২৬ || ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১৭৩জন