মঙ্গলবার   ০৬ অক্টোবর ২০২৬ || ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১২:৩৮, ৫ অক্টোবর ২০২৬

পর্তুগালে ফেরার সিদ্ধান্ত রোনালদোর ওপর ছেড়ে দিলেন কোচ

পর্তুগালে ফেরার সিদ্ধান্ত রোনালদোর ওপর ছেড়ে দিলেন কোচ
সংগৃহীত

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো একজন মহাতারকাকে নিয়ে এই আন্তর্জাতিক বিরতিতে কতটা ঝামেলাই না পোহাতে হয়েছে পর্তুগালকে! ৪১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে নিয়ে মাঠের বাইরে নানা বিতর্কের মাঝেও মাঠের ভেতরে অদম্য ছিল ছিল তারা। উয়েফা নেশনস লিগে পর্তুগিজরা টানা চার ম্যাচই  জিতেছে, এর মধ্যে কেবল রোনালদো খেলেছেন কেবল ৬৫ মিনিট। 

ওয়েলসের বিপক্ষে খেলা শেষ হওয়ার প্রায় আধঘণ্টা আগে রোনালদোকে মাঠ থেকে তুলে নেন জর্জ জেসুস। নরওয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে তাকে পুরোটা সময় বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হয়। ডেনমার্কের বিপক্ষেও শুরুর একাদশে থাকতে পারবেন না জেনে কোপেনহেগেনে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান  তিনি। অনেকেই রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ দেখে ফেলেছেন। কিন্তু জেসুস তার জন্য দরজা খোলা রাখার ঘোষণা দিলেন।

পর্তুগাল কোচ বলেছেন, চাইলে রোনালদো জাতীয় দলে ফিরতে পারবেন। ফুটবলে গোল ও ম্যাচ খেলায় বিশ্ব রেকর্ড গড়া ফরোয়ার্ডের আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা তার ওপর ছেড়ে দিলেন জেসুস।

পর্তুগালের জার্সিতে ২৩৪ ম্যাচ ও ১৪৬ গোল করা রোনালদোকে নিয়ে জেসুস বললেন, ‘সে যদি চায়, তবে জাতীয় দলে ফিরবে।’ আল-নাসরেও সিআরসেভেনের কোচ হিসেবে কাজ করা কোচ বলেন, ‘পরবর্তী দল ঘোষণার আগে আমরা কথা বলতে পারি, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ক্রিসই নেবে।’

ডেনমার্ক ও নরওয়ের বিপক্ষেও রোনালদোকে নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হয়েছিল জেসুসকে। কিন্তু তিনি শেষ ম্যাচ খেলার পর এই ইস্যুতে কথা বলার ব্যাপারে অবিচল ছিলেন। নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয়ের পর এনিয়ে ঠিকই কথা বললেন তিনি। পর্তুগাল কোচ বলেন, ‘জাতীয় দলে ক্রিশ্চিয়ানোর অধ্যায় তার নিজের মতো করেই শেষ করার সুযোগ পাওয়া উচিত। সে কীভাবে শেষ করতে চায়, তা সে নিজেই ঠিক করবে।’

জেসুস তার দল ঘোষণার সময়ের কথা বললেন, “আমার প্রথম দল ঘোষণার সময় আমি বলেছিলাম, 'আমার তোমাকে প্রয়োজন, তুমি খেলো বা না খেলো, তোমাকে আমার পাশে চাই, আমার তোমাকে দরকার।' আর এখনও আমি ঠিক একই কথা বলছি।”

রোনালদোর অনুপস্থিতিতে তিনটি ম্যাচে শুরু করে সবগুলোতেই গোল করেছেন গনসালো রামোস। এসি মিলান স্ট্রাইকার দারুণ ফর্মে রয়েছেন। নরওয়ে ম্যাচের আরেক গোলদাতা জোয়াও কানসেলো বলেছেন, ‘ক্রিশ্চিয়ানো আমাদের অধিনায়ক, পর্তুগালের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়। সবকিছু নিশ্চয় ভালোভাবে শেষ হবে (তাকে নিয়ে), কিন্রতু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো চার জয়।’

সতীর্থ নুনো মেন্দেস যোগ করেন, ‘জাতীয় দলে যে খেলোয়াড় আসুক, তাকে স্বাগতম। ক্রিস যদি ফেরেন, তাকে আমরা সাদরে গ্রহণ করব।’ আগামী ১৪ নভেম্বর পর্তুগাল তাদের পরের ম্যাচ খেলবে। ডেনমার্কের বিপক্ষে সেই ম্যাচের আগে  রোনালদো ইস্যুর সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

মঙ্গলবার   ০৬ অক্টোবর ২০২৬ || ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১৭৩জন

সর্বশেষ

শিরোনাম