চার মাসে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। এ দুই খাত মিলিয়ে মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ এসেছে।
জুলাই-অক্টোবর সময়ে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭৭১ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ আয় বেড়েছে ৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৬০০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। সামগ্রিক রপ্তানি আয় বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে।
পোশাকের বাইরে এগিয়েছে পাট ও চামড়া
তৈরি পোশাকের পাশাপাশি কয়েকটি পোশাক বহির্ভূত পণ্য খাতেও রপ্তানি আয় বেড়েছে। এর মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ। এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৩৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ। এ খাতে আয় হয়েছে ৪৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এ ছাড়া রাসায়নিক পণ্যের রপ্তানি আয় ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এ সময়ে হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয় বেড়েছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। পাদুকা রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ।
সব পণ্য খাতে অবশ্য রপ্তানি আয় বাড়েনি। আলোচ্য চার মাসে কৃষিপণ্যের রপ্তানি আয় কমেছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ রপ্তানি থেকে আয় কমেছে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ। একই সময়ে তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি আয় কমেছে ১০ দশমিক ২ শতাংশ।
সামগ্রিকভাবে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধিতে তৈরি পোশাক খাতের প্রাধান্য অব্যাহত রয়েছে। তবে পাট, চামড়া ও রাসায়নিক পণ্যের মতো কয়েকটি খাতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে নতুন বাজার খোঁজা, পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।



.webp)




