৪৩ বছর বয়সী গোলরক্ষককে নিয়ে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ দলের স্কোয়াড ঘোষণা
২০০৪ সালে স্কটল্যান্ড জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল ক্রেইগ গর্ডনের। ২৮ বছর পর যখন দেশটি ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে ফিরল, তখনও তারা আস্থা রেখেছে ৪৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের ওপর। স্কটিশ কোচ স্টিভ ক্লার্ক ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে তিন গোলরক্ষককে ডেকেছেন। যেখানে আছেন ক্লাবের হয়ে পুরো মৌসুমে স্রেফ ৪ ম্যাচ খেলা বয়োজ্যষ্ঠ গোলরক্ষক গর্ডনও।
ফুটবল বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে গর্ডন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়সী ফুটবলারের রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন। ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় হতে যাওয়া ২৩তম আসরে স্কটল্যান্ড ‘সি’ গ্রুপে পেয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, মরক্কো ও হাইতিকে। ২০১৮ সালে সর্বোচ্চ ৪৫ বছর বয়সে বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড রয়েছে মিশরের গোলরক্ষক ইসাম আল হাদারির।
জানুয়ারিতে হার্ট অব মিডলোথিয়ানের হয়ে তিন ম্যাচ খেলেছেন গর্ডন। স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপে দীর্ঘদিনের শীর্ষস্থানীয় দলটি শনিবার সেল্টিকের কাছে অল্পের জন্য শিরোপা হাতছাড়া করে। যদিও কাঁধের চোট নিয়ে ভুগছেন গর্ডন। অন্য দুই গোলরক্ষক– নটিংহ্যাম ফরেস্টের অ্যাঙ্গুস গান এবং রেঞ্জার্সের লিয়াম কেলি। তারা সম্ভবত প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক, তবে তারাও নিজ নিজ ক্লাবে অনেকটাই কোণঠাসা অবস্থায় আছেন। তিন গোলরক্ষককে নিয়ে ক্লার্ক বলেন, ‘গোলরক্ষকরা যদি অনুশীলনে তাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজ করে, তাহলে মনে হয় তারা দলে এসে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারবে।’
আলাদা করে গর্ডনের বিষয়ে স্কটিশ কোচের অভিমত– ‘আমরা হার্টস থেকে ভালো খবর পেয়েছি। ক্রেইগ আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে সে পুরোপুরি ফিট এবং তার (বিশ্বকাপ) দলে যাওয়া উচিত। কারণ সে বাছাইপর্বের একটি অংশে খেলেছে।’ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেবেন লেফট-ব্যাক অ্যান্ডি রবার্টসন, যিনি চলতি মৌসুম শেষে অ্যানফিল্ডের ক্লাব লিভারপুল ছাড়বেন। নাপোলিতে খেলা স্কট ম্যাকটমিনে মিডফিল্ড শক্ত করবেন আর আক্রমণভাগে রাখা হয়েছে ২০ বছরের বেন গ্যানন-ডোক এবং ১৯ বছরের ফিন্ডলে কার্টিসকে।
স্কটল্যান্ড বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ১৪ জুন বোস্টনে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। একই ভেন্যুতে মরক্কো ম্যাচের পর মায়ামিতে ২৪ জুন তাদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল। এর আগে ৮ আসর খেলে কখনোই গ্রুপপর্ব পেরোতে পারেনি স্কটিশরা।
স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলরক্ষক : অ্যাঙ্গুস গান, ক্রেইগ গর্ডন, লিয়াম কেলি
ডিফেন্ডার : অ্যারন হিকি, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্ডি রবার্টসন, কিয়েরান টিয়ারনি, গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেন্ড্রি, জন সাউটার, স্কট ম্যাককেনা, ডম হাইয়াম, অ্যান্থনি রালস্টন
মিডফিল্ডার : স্কট ম্যাকটমিনে, জন ম্যাকগিন, বিলি গিলমোর, রায়ান ক্রিস্টি, লুইস ফার্গুসন, কেনি ম্যাকলিন, বেন গ্যানন-ডোক, ফিন্ডলে কার্টিস
ফরোয়ার্ড : লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, লিন্ডন ডাইকস, শে অ্যাডামস, জর্জ হার্স্ট ও রস স্টুয়ার্ট
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট


.webp)








.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)

