মঙ্গলবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ || ২০ মাঘ ১৪৩২

জাগ্রত জয়পুরহাট

প্রকাশিত : ১২:৫১, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

দেশে এইচআইভি শনাক্তদের ১২% প্রবাসী কর্মী, আক্রান্ত হলেই দেশে ফেরত

দেশে এইচআইভি শনাক্তদের ১২% প্রবাসী কর্মী, আক্রান্ত হলেই দেশে ফেরত
সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার আগে বড় কোনো স্বপ্ন ছিল না ওই তরুণের। তাঁর বাড়ি দেশের উত্তর–পূর্বাঞ্চলের একটি জেলায়। বিদেশে যাওয়ার জন্য করা ধার শোধ, পরিবারের খরচ চালানো—এই ছিল তাঁর লক্ষ্য। মাত্র এক বছর থাকতে পেরেছিলেন তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে। কাজ করছিলেন এক নির্মাণপ্রতিষ্ঠানে। সবকিছু মোটামুটি চলছিল। হঠাৎ শরীর খারাপ হতে শুরু করে। জ্বর, দুর্বলতা—একসময় আর কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না।

ডাক্তারের কাছে গেলে নিয়মিত পরীক্ষার অংশ হিসেবেই করা হয় এইচআইভি টেস্ট। ফল আসে পজিটিভ।

হাসপাতাল থেকে বিষয়টি জানানো হয় মধ্যপ্রাচ্যের ওই দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে। সেখান থেকে ইমিগ্রেশন বিভাগ। কয়েক দিনের মধ্যেই ভিসা বাতিল। কাজের অনুমতি শেষ। কোনো চিকিৎসা পরিকল্পনা, কাউন্সেলিং বা ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনার সুযোগও দেওয়া হয়নি। দ্রুত তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

ডাক্তারের কাছে গেলে নিয়মিত পরীক্ষার অংশ হিসেবেই করা হয় এইচআইভি টেস্ট। ফল আসে পজিটিভ।

এক বছরের মাথায় প্রবাসজীবনের ইতি—শুধু একটি রোগ শনাক্ত হওয়ার কারণে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় এইডস ও এসটিডি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে (২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত) বাংলাদেশে ১ হাজার ৮৯১ জন এইডস রোগের ভাইরাস এইচআইভিতে সংক্রমিত হয়েছেন। এসব আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে বিদেশ থেকে ফেরত আসা ব্যক্তি ১২ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্যবিদ, অভিবাসন বিষয়ের গবেষক এবং এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের সেবাদানকারী ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশে এইচআইভি শনাক্তের হার কম হলেও দিন দিন এর সংখ্যা বাড়ছে। অভিবাসী কর্মীরাও এর ঝুঁকিতে আছেন। তাঁদের এ বিষয়ে সচেতনতার কাজটি জরুরি। যার যথেষ্ট অভাব আছে। আবার কেউ যদি আক্রান্ত হয়ে যান, তাঁকে চিকিৎসা নিয়ে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটিও অমানবিক।

দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা, একাকিত্ব, মানসিক চাপ, নিরাপদ যৌন আচরণ সম্পর্কে সীমিত ধারণা—এসব কারণে ঝুঁকি বাড়ে। অনেক গন্তব্য দেশে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য নয়।

‘অসুস্থ হলেই প্রবাসীর জায়গা নেই’

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা সামাজিক যুব উন্নয়নভিত্তিক সংগঠন ব্রেভ ডাইমেনশন গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট মীর বলেন, এই তরুণের ঘটনা মোটেও ব্যতিক্রম নয়।

মীর বলছিলেন, ‘বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এইচআইভি আক্রান্ত মানুষদের রাখার কোনো নীতি নেই। অসুস্থ হলেই তাকে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো—ওষুধ খেয়ে, চিকিৎসার মধ্যে থেকে কাজ করার সুযোগ কি সে পাবে না?’

মীর জানান, দেশে ফিরে সেই তরুণ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরিবারে বিষয়টি জানাবেন কি না, কাজ পাবেন কি না—সব মিলিয়ে প্রবল চাপের মধ্যে ছিলেন। সরকারি কোনো সংস্থা নয়, শেষ পর্যন্ত বেসরকারি সংগঠন থেকেই তিনি কাউন্সেলিং সহায়তা পান। ‘এই পুরো প্রক্রিয়ায় সরকারের কোনো দৃশ্যমান দায়বদ্ধতা আমরা দেখিনি,’ বলেন মীর।

প্রবাসীদের মধ্যে সংক্রমণ বাড়ছে কেন

বাংলাদেশে এইচআইভি সংক্রমণের হার এখনো তুলনামূলকভাবে কম। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর গত এক দশকের তথ্য বিশ্লেষণে একটি প্রবণতা স্পষ্ট—নতুন সংক্রমিতদের একটি অংশ দেশে ফিরেছে প্রবাসজীবন শেষে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রবাসী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এইচআইভি শুধু চিকিৎসার বিষয় নয়; এটি শ্রম অধিকার, অভিবাসন নীতি ও মানবাধিকারের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা, একাকিত্ব, মানসিক চাপ, নিরাপদ যৌন আচরণ সম্পর্কে সীমিত ধারণা—এসব কারণে ঝুঁকি বাড়ে। অনেক গন্তব্য দেশে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য নয়। কোথাও আবার এইচআইভি পরীক্ষা করালে চাকরি হারানোর ভয় থাকে। ফলে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও শ্রমিকেরা পরীক্ষা করাতে চান না।

একজন অভিবাসী শ্রমিক অভিবাসনের দেশে শারীরিক বা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব অবশ্যই গ্রহণকারী দেশের ওপরেই বর্তায়। আমাদের অভিবাসী কর্মীদের একটা বড় সংখ্যা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কাজ করছেন। এই সব দেশে কারও এইচআইভি-এইডস শনাক্ত হলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে উৎস দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার যে নিয়মটি তাঁরা অনুসরণ করেন, তা অমানবিক।

রামরুর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক তাসনিম সিদ্দিকী

আক্রান্ত হলেই ফেরত: আইন কী বলে

সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে ইমিগ্রেশন ও জনস্বাস্থ্য আইনের আওতায় এইচআইভি আক্রান্ত বিদেশিদের থাকার অনুমতি দেওয়া হয় না। সাধারণত ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের সময় বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অথবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে গেলে এইচআইভি ধরা পড়লে ভিসা বাতিল করা হয় এবং দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

আইনগতভাবে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দেশগুলোর ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট, পাবলিক হেলথ ল বা রেসিডেন্স রেগুলেশন অনুযায়ী। তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর দৃষ্টিতে বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কিত।

অভিবাসন নিয়ে কাজ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রামরু। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক তাসনিম সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, ‘একজন অভিবাসী শ্রমিক অভিবাসনের দেশে শারীরিক বা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব অবশ্যই গ্রহণকারী দেশের ওপরেই বর্তায়। আমাদের অভিবাসী কর্মীদের একটা বড় সংখ্যা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কাজ করছেন। এই সব দেশে কারও এইচআইভি-এইডস শনাক্ত হলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে উৎস দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার যে নিয়মটি তাঁরা অনুসরণ করেন, তা অমানবিক।’ তিনি আরও বলেন, শুধু এইচআইভি আক্রান্তদেরই নয়, ওই সব দেশে কোনো নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে তাঁকেও তৎক্ষণাৎ ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর মূল কারণ হলো, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক দলিলগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়। তাই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকারের অনেক নীতিমালা তারা মেনেও চলে না।

জাতিসংঘের সংস্থা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) স্পষ্টভাবে বলেছে—শুধু এইচআইভি সংক্রমণের কারণে কাউকে বহিষ্কার করা বৈষম্যমূলক এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন।

জনস্বাস্থ্যবিদ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সাবেক পরামর্শক মুশতাক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, কারও এইচআইভি শনাক্ত হলে তাঁকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া অমানবিক তো বটেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থাই এটি সমর্থন করে না। যাঁরা দেশের বাইরে কাজ করতে যান, তাঁদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে পর্যাপ্ত সচেতনতা দরকার। এর অভাব প্রকট। আবার যারা কোনো আক্রান্ত ব্যক্তিকে ফেরত পাঠায়, তারাও যথাযথ কাজ করছে না।

এইচআইভি বাতাসে ছড়ায় না, সাধারণ সামাজিক মেলামেশায় সংক্রমিত হয় না। ফলে জনস্বাস্থ্যের যুক্তিতে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের আলাদা করা বা ফেরত পাঠানো বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদ (আইসিসিপিআর) এবং অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী, স্বাস্থ্যগত অবস্থার ভিত্তিতে চাকরি ও বসবাসের অধিকার কেড়ে নেওয়া মানবাধিকারের পরিপন্থী।

রামরুর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, অভিবাসন সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অথবা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সময় স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি উল্লেখ করা প্রয়োজন। এটা ফলপ্রসূ হওয়ার সম্ভাবনা যদিও কম। তবে সে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এর পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বহুপক্ষীয় ফোরামগুলোতে বাংলাদেশকে এই দাবিগুলো তুলতে হবে, যেন ওই সব দেশ শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি নিশ্চিত করে।

দেশে ফিরে নতুন লড়াই

যে তরুণের ঘটনা দিয়ে এ প্রতিবেদন শুরু, তাঁর মতো অনেকেই দেশে ফেরেন হঠাৎ করে—কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই। চাকরি নেই, আয় বন্ধ, সঞ্চয় দ্রুত ফুরিয়ে যায়। এর সঙ্গে যোগ হয় সামাজিক কলঙ্কের ভয়।

বাংলাদেশ সরকার বিনা মূল্যে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এআরভি) ওষুধ সরবরাহ করে। কিন্তু কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা ও জীবিকা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা খুব সীমিত।

মীর বলেন, ‘প্রবাস মানেই শুধু রেমিট্যান্স নয়। প্রবাস মানে জীবন, স্বাস্থ্য আর মর্যাদার প্রশ্ন। আরব দেশগুলোর নীরব বহিষ্কার আর দেশে রাষ্ট্রের নীরবতা—দুটোই সমান দায়ী।’

বাংলাদেশের প্রস্তুতি কতটা

বিদেশে যাওয়ার আগে এইচআইভি নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক হলেও, ঝুঁকি কমানো বা যৌন স্বাস্থ্য বিষয়ে কার্যকর প্রশিক্ষণ নেই। প্রি-ডিপারচার ব্রিফিংয়ে এইচআইভি, নিরাপদ আচরণ বা বিদেশে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার নিয়ে আলোচনা খুবই সীমিত।

বিদেশে বাংলাদেশি মিশনগুলোও এ বিষয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারছে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আক্রান্ত শ্রমিকেরা দূতাবাস থেকে আইনি বা চিকিৎসা সহায়তা পান না।

কী করা দরকার

বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিবাসীদের এইচআইভির ঝুঁকি কমানো একক কোনো পদক্ষেপে সম্ভব নয়।

প্রথমত, বিদেশে যাওয়ার আগে শ্রমিকদের জন্য বাধ্যতামূলক ও বাস্তবভিত্তিক স্বাস্থ্য শিক্ষা দরকার—বিশেষ করে এইচআইভি ও যৌন স্বাস্থ্য বিষয়ে।

দ্বিতীয়ত, গন্তব্য দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় এইচআইভি-ভিত্তিক বহিষ্কার বন্ধ করার বিষয়টি জোরালোভাবে তুলতে হবে।

তৃতীয়ত, দেশে ফিরে আসা আক্রান্ত শ্রমিকদের জন্য পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান ও মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার আলাদা কাঠামো গড়া জরুরি।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের এক কোটির বেশি অভিবাসী শ্রমিক আছেন। তাঁদের বেশির ভাগ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কাজ করেন। ধর্মীয় শিক্ষা, পারিবারিক বন্ধন ইত্যাদি নানা কারণে বাংলাদেশের অভিবাসীদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে এইচআইভির সংক্রমণ কম। কিন্তু তারপরও এসব দেশে কেউ যদি আক্রান্ত হয়ে যান, তাহলে দেশে ফেরত পাঠানোর পর তাঁর চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং নিশ্চিত করা উচিত। প্রবাসী কর্মীদেরও এসব বিষয়ে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

সর্বশেষ

শিরোনাম

১৫ বছর শুধু বগুড়া নয়, সারা দেশই বঞ্চিত ছিল: তারেক রহমান
গাইবান্ধায় আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৩
দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন শুরু আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা
সেতুর রেলিং ভেঙে নদীতে ট্রাক, দুজনের মরদেহ উদ্ধার
বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতি পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বান
তারেক রহমানের সম্পদ বলতে ব্যাংক জমা, শেয়ার ও এফডিআর
দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা, রাতে বাড়বে শীত
বগুড়ায় ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর হত্যা, মরদেহ উদ্ধার
দুই সম্পাদক-এনসিপির ৬ নেতাসহ ২০ জনকে গানম্যান দেওয়া হয়েছে
হাদি হত্যার বিচার ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে : আইন উপদেষ্টা